শিক্ষার আকাঙ্খাই শিক্ষার্থীকে সাফল্য এনে দিতে পারে
শিক্ষা জাতির উন্নয়ন চাবি কাঠি এর বিপক্ষে
"বিপক্ষ"
শিক্ষায় জাতির উন্নতির চাবিকাঠি নয় বরং সুশিক্ষাই জাতির উন্নয়নের চাবিকাঠি।কারন শিক্ষা অনেক প্রকারের আছে।যেমন:-চুরি করার কৌশল,ডাকাতি করার কৌশল,দুর্নীতি করার কৌশল এগুলোও একধরনের শিক্ষা।এগুলো হলো কুশিক্ষা।আপনিই বলুন এ ধরনের শিক্ষা কি জাতির উন্নতির চাবিকাঠি হতে পারে?অবশ্যই না। নাগরিকদের সুশিক্ষা অর্জন এবং সেই শিক্ষা সমাজ,দেশ ও দেশের মানুষের মঙ্গলের উদ্দেশ্যে প্রয়োগের মাধ্যমে দেশ ও জাতির সর্বোচ্চ উন্নয়ন সম্ভব।তাই আমি মনে করি শিক্ষা নয় বরং সুশিক্ষাই জাতির চাবিকাঠি।
বিপক্ষে বলার মত তো কিছু পাচ্ছি না। সেই ছোটকাল থেকেই পড়ে আসছি শিক্ষাই জাতীর মেরুদন্ড। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত।
তবে এর মধ্যে একটা কথা আছে। এটা হতে হবে সুশিক্ষা। আমার মতে -
- শুধু পুথিগত বিদ্যা অর্জন করে কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। বাস্তব সম্মত জ্ঞান দরকার।
- মুখস্ত বিদ্যাও জাতির উন্নতির পথে অন্তরায়।
- স্কুল কলেজের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরী শিক্ষার ও ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
- আর পাঠ্যবিষয় হতে হবে যুগপোযোগী এবং আধুনিক। মান্ধাতা আমলের সিলেবাস দিয়ে শিক্ষার্থী বা জাতির উন্নতি হবে না।
সুশিক্ষাই জাতির উন্নতির চাবি কাঠি। আর শিক্ষা মানে শুধু যে পড়ালেখা সেটা না। শিক্ষা হতে পারে অনেক কিছুই। যেমন ধরুণ জীবন সম্পর্কে শিক্ষা।
শিক্ষাই মানব সভ্যতা বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এ বিষয়ে পক্ষে ও বিপক্ষে
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড আমরা সবাই জানি।।।কিন্তু কিভাবে?এটাও একটা কথা।। তাই আমাদের সর্বপ্রথম যেটা বুঝতে হবে সেটা হবে আগেকার এখনকার দিনগুলার পার্থক্য অনুধাবন করা।।।শিক্ষাটা আমাদের মধ্যে এক ধরনের আলো ছড়ায়।।সেই আলোতে আমরা সবাই আলোকিত মানুষ হয়ে উঠি।।।শিক্ষা ছাড়া সেটা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।।এই যে দেখুন না-শিক্ষার আলোটা আপনার নিজের মধ্যেই প্রতিফলিত।।।যার কারণে আপনি প্রশ্ন করতে পারছেন।।।এটা কি শিক্ষা ছাড়া সম্ভব হত।।।আর শিক্ষার ফলস্বরূপ আমরা এত মার্জিত ভাষায় কথা বলতে পারছি ও লিখতে পারছি।।।এটা মানব সভ্যতার কত বড় উৎথান কল্পনা করতে পারবেন।।।।এটা কিসের ফলে সম্ভব হয়েছে শিক্ষার কারনেই।।।তাই শিক্ষা মানব সভ্যতা নিমার্ণে কত ভূমিকা পালন করছে তা বলা বাহুল্য।। আর শিক্ষার বিরুদ্ধে আমার কোন অভিমত নেই।।তবে শিক্ষা অবশ্যই সুশিক্ষা হওয়া বাঞ্ছনীয়।কু শিক্ষাও একধরনের শিক্ষা।এ শিক্ষার দরকার নেই।।এটা ছাড়াও সভ্যতা নিমার্ণিত হয়েছিল অতীতে জ্ঞান দ্বারা।।আর শিক্ষাটা ভাল হলে মানব সভ্যতা আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।।।আর এটার বিরোধিতা আশা করি না কেউ করবে।।।।
পারিবারিক শিক্ষাই পারে নৈতিক অবক্ষয় রোধে মুখ্য ভুমিকা রাখতে।।।।।
মানুষ তার জন্মের পর থেকে এ নানাভাবে শিখছে। এই শিক্ষা তার সমাজের কাছ থেকে হচ্ছে, পরিবারের কাছ থেকে হচ্ছে, আবার গুরুজনের বা বিশিষ্ট-অবিশিষ্ট ব্যক্তি বা বন্ধু-বান্ধবের মাধ্যমেও হচ্ছে। আবার প্রকৃতি কাছ থেকেও মানুষ শিখছে। প্রতিনিয়ত তার শেখার চেষ্টা অব্যাহত থাকে। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছাসত্ত্বেও সে শেখে । এই যে অনির্দিষ্ট নান উপায়ে মানুষ শিখছে এটাই অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা। অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাই আমাদের শেখার বা আচার-আচরণের অনেক বৈশিষ্ট্য ঠিক করে দেয়। জন্মের পর একটি শিশু কীভাবে কথা বলতে হবে তাকে আলাদা করে শেখাতে হয় না, সে নিজে নিজে তার পরিবারের সবাইকে দেখেই শেখে। এইভাবেই সূচনা হয় অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার। প্রাচীন সমাজে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাই ছিল শিক্ষা লাভের একমাত্র উপায় এবং এ শিক্ষা ছিল সর্বজনীন। বাঁচার জন্য এবং বাঁচার মধ্যে দিয়ে এ শিক্ষা অর্জিত হতো। তখন সামাজিকীকরণ ও শিক্ষার মধ্যে কোন প্রভেদ ছিল না। আধূনিক সমাজে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার আধিপত্য সত্ত্বেও পারিবারিক শিক্ষাই এখনো শিশুর মানসিক বিকাশ ও চরিত্র গঠনে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
তথ্য সূত্র: ইউকিপিডিয়া।
তথ্য সূত্র: ইউকিপিডিয়া।
"নৈতিক শিক্ষার অবক্ষয়-ই জঙ্গিবাদের মূল কারন" বিষয়টির পক্ষে এবং বিপক্ষে যুক্তি
নৈতিক শিক্ষার অবক্ষয়ই জঙ্গিবাদের মূল কারণ।কথাটি যুক্তিযুক্ত এবং যথার্থ হয়েছে।আমি বিষয়টির পক্ষে মতামত পোষণ করছি। ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি অবহেলা আর তার প্রতি অনীহা মানুষকে ক্রমশ বিপথগামী করে তুলছে।নৈতিকতার একেবারেই বিলীন হয়ে যাচ্ছে।তার কারণ নৈতিক শিক্ষার অভাব।কেননা জঙ্গিবাদী মনোভাব পোষণ করে এমন কোন কথা আপনি কোন ধর্মীয় শিক্ষাতে পাবেন না।এটা আপনি হিন্দু বলেন কি মুসলমান কি বৌদ্ধ কি খ্রিষ্টান।কিন্তু আপনি বিদ্যালয়ের পুস্তকগুলোতে আপসী হাজারো কথা পাবেন।নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত যারা তারা কখনও খারাপ কাজ করতে পারে না।কেননা তারা আল্লাহকে ভয় করেন।তাই তারা এসব থেকে বিরত থাকেন।আমরা যারা স্কুল,কলেজে পড়ি তাদের মধ্যে হিংসা মনোভাব বেশি।তারা সন্ত্রাসবাদী করতে পারে কিন্তু যার নৈতিক শিক্ষা আছে তিনি তা পারেন না।কারন তিনি জানেন আল্লাহ তার সকল কাজের হিসাব নেবেন।তাই সর্বদিক বিবেচনা করে বলছি নৈতিক শিক্ষা সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক করে হলে জঙ্গিবাদ বাংলাদেশের বুক থেকে বিদায় নিবে।
"ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রযুক্তির ব্যবহার একমাত্র মাধ্যম" বিতর্কের বিষয়। পক্ষে - বিপক্ষে
পক্ষে - আপনাকে বলতে হবে কি করে বাংলাদেশে এত উন্নয়ন হল । যার প্রধান এবং একমাত্র কারণ হলো প্রযুক্তি । ডিজিটাল বাংলাদেশ,ডিজাটাইলেজেশন এর জন্য প্রযুক্তি একমাত্র মাধ্যম উপায় । একে ছাড়া এটি সম্ভব না । আপনাকে এই কথাগুলোর পক্ষে যুক্তি প্রদান করতে হবে । তাহলেই পক্ষ বলা ঠিক হবে ।
বিপক্ষে - বিপক্ষে প্রমাণ করতে প্রযুক্তি একমাত্র মাধ্যম নয় । এছাড়া আরো অনেক মাধ্যমে আছে । প্রযুক্তির উন্নতি শুধু তার একটি উপায় । এটি ছাড়া আরো মাধ্যম আছে সেগুলো প্রয়োজনীয় । শুধু এটি একা নয় । বিপক্ষে এই কথাটিকেই আপনাকে প্রমাণিত করতে হবে
বিপক্ষে - বিপক্ষে প্রমাণ করতে প্রযুক্তি একমাত্র মাধ্যম নয় । এছাড়া আরো অনেক মাধ্যমে আছে । প্রযুক্তির উন্নতি শুধু তার একটি উপায় । এটি ছাড়া আরো মাধ্যম আছে সেগুলো প্রয়োজনীয় । শুধু এটি একা নয় । বিপক্ষে এই কথাটিকেই আপনাকে প্রমাণিত করতে হবে
"শুধু পাঠ্যপুস্তক পাঠ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের বাঁধা।" এ বিষয়টির পক্ষে
পাঠ্যপুস্তক পাঠের জ্ঞান হল একটি সীমাবদ্ধ জ্ঞান | পাঠ্যপুস্তক পাঠ করে শিক্ষার্থী সেই সকল বিষয়েই জ্ঞান অর্জন করতে পারে যা সেই বইয়ে আছে | তাই এর দ্বারা শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় না |
কিন্তু যদি শিক্ষার্থী পরিবেশ থেকে হাতেকলমে কোনো শিক্ষা অর্জন করে সেই শিক্ষাই হবে প্রকৃত শিক্ষা যার কোনো শেষ নেই | বাস্তব জীবণে হাতেকলমে শিক্ষা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থী নিজে থেকে অনেকে কিছু সৃষ্টি করতে পারে| তাই হাতেকলমে শিক্ষা অর্জন শিক্ষার্থীকে সৃজনশীলতার ক্ষমতার দিক দিয়ে প্রচুর পরিমাণে এগিয়ে রাখে |
Comments
Post a Comment