https://web.facebook.com/mdashik7215/

https://web.facebook.com/sultan.debatestage.1

http://sultandebatestage.blogspot.com/2019/01/bad-side-addition-road.html#comments

https://web.facebook.com/groups/139171453426312/




ইভ টিজিং
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইভ টিজিং প্রকাশ্যে যৌন হয়রানি, পথেঘাটে উত্ত্যক্ত করা বা পুরুষ দ্বারা নারীনিগ্রহ নির্দেশক একটি কাব্যিক শব্দ যা মূলত ভারতপাকিস্তানবাংলাদেশ  নেপালে[] ব্যবহৃত হয়। ইভ দিয়ে পৌরানিক আদিমাতা হাওয়া অর্থে সমগ্র নারীজাতিকে বোঝানো হয়।[]
এটি তারুণ্যে সংঘটিত একধরনের অপরাধ[] এটি এক ধরনের যৌন আগ্রাসন যার মধ্যে রয়েছে যৌন ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য, প্রকাশ্যে অযাচিত স্পর্শ, শিস দেওয়া বা শরীরের সংবেদনশীল অংশে হস্তক্ষেপ।[][][] কখনো কখনো একে নিছক রসিকতা গণ্য করা হয় যা অপরাধীকে দায় এড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।.[] অনেক নারীবাদী সংগঠন আরো উপযুক্ত শব্দ দিয়ে ইভ টিজিংকে প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে ইভ শব্দের ব্যবহার নারীর আবেদনময়তাকে নির্দেশ করে যে কারণে উত্ত্যক্ত হওয়ার দোষ নারীর উপর বর্তায় আর পুরুষের আচরণ আগ্রাসনের পরিবর্তে স্বাভাবিক হিসেবে ছাড় পায়।[]
ইভ টিজাররা নানান সৃজনশীল কৌশলে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে থাকে। ফলে অপরাধ প্রমাণ করা কঠিন। এমনকি অনেক নারীবাদী একে "ছোটোখাটোো ধর্ষণ" বলে আখ্যায়িত করেছেন।[]
কেউ কেউ ইভ টিজিং থেকে রেহাই পেতে নারীদের রক্ষণশীল পোশাক আশাক পরতে উৎসাহিত করেন। তবে রক্ষণশীল পোশাক পরিহিত নারীরাও ইভ টিজিং-এর শিকার হচ্ছেন এমন উদাহরণও অগণিত।
https://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/8/88/Blank_Noise_project%27s_intervention_on_Majestic_bus_stand%2C_against_Eve_Teasing.jpg/200px-Blank_Noise_project%27s_intervention_on_Majestic_bus_stand%2C_against_Eve_Teasing.jpg
ইভ টিজিং-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
পরিচ্ছেদসমূহ
·         ধারণা
·         ইতিহাস
·         আরো দেখুন
·         আরও পড়ুন
·         তথ্যসূত্র
ধারণা[সম্পাদনা]
ইভ টিজিং মূলত প্রকাশ্যে যৌন হয়রানি,পথেঘাটে উত্ত্যক্ত করা বা পুরুষ দ্বারা নারী নির্যাতনের নির্দেশক একটি শব্দ।'ইভ' শব্দটি বাইবেলের ইভ(Eve) বা পবিত্র কোরআনের 'হাওয়াকে' বোঝায়।অন্যদিকে টিজিং শব্দটির আভিধানিক অর্থ 'পরিহাস বা জ্বালাতন' সুতরাং 'ইভ' বলতে বুঝায় নারী বা রমণী এবং টিজিং বলতে বুঝায় উত্ত্যক্ত বা বিরক্ত করা। একসময় সমাজের বখে যাওয়া একটি ক্ষুদ্র অংশ ইভ টিজিং-এর সাথে জড়িত থাকলেও এখন উঠতি বয়সী তরুণ, কিশোর যুবকরা তো আছেই,অনেক মধ্য বয়সীরাও এর সাথে জড়িত হয়ে পড়ছে। আধুনিক আধুনিক সমাজে 'ইভ টিজিং ' শব্দটি 'যৌন হয়রানি'(Sexual Harassment) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। "'Oxford Dictionary"'-তে এজন্য 'ইভ টিজিং' শব্দটির অর্থ করা হয়েছে ""'Harassment of,or sexually aggressive behavior toward women or girls""'.যৌন হয়রানি' হচ্ছে সেই ধরনের কর্মকাণ্ড আচরণ যা মানুষের যৌনতাকে উদ্দেশ্য করে মানসিক শারীরিকভাবে করা হয়।
ইতিহাস[সম্পাদনা]
যদিও এই বিষয়টা ৬০-এর দশকের বেশি মনোযোগ পায় গণমাধ্যমে,[১০][১১] কিন্তু এটা আসলে বিপদজনকভাবে বৃদ্ধি লাভ করে পরবর্তী দশকে যখন অধিকসংখ্যক মেয়েরা বিদ্যালয় কর্মক্ষেত্রে যেতে থাকে ঐতিহ্য পরিপন্থী হয়ে পুরুষের সাহচর্য ছাড়া।[১২] শীঘ্রই ভারতীয় সরকার ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে থাকে বিচারিক আইনগতভাবে এই ধরনের বিপজ্জনক ব্যাপারকে প্রতিহত করতে এবং পুলিশ ইভ টিজারদের ধরতে সচেষ্ট হয়ে ওঠে।এক্ষেত্রে মহিলা পুলিশের প্রয়োগ ভাল ফলাফল দেয়।[১৩] বিভিন্ন ষরে মহিলা পুলিশের বিশেষ স্টেশন, মহিলাদের জন্য হেল্পলাইন চালু পুলিশের মাঝে ইভ টিজিং বিরোধী সেল গঠনের মাধ্যমে বিষয়টা পরিলক্ষিত হয় তখন।[১৪]  সময়ে প্রচুর অভিযোগ আসতে থাকে যৌন হয়রানির মতো ইভ টিজিংযের অভিযোগ নিয়ে কারণ জনসাধারণের দৃষ্টিভঙ্গি পালটে গিয়েছিল ইভ টিজারদের প্রতি।তবে ইভ টিজিংযের মাত্রা বাড়তেই থাকে যেমন তা পৌছে এসিড সন্ত্রাস পর্যন্ত , তাই তামিল নাড়ু সরকার ইভ টিজিংকে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্ণিত করে।এ সময়ে আরো দেখা যায় যে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং কনেকে পুড়িয়ে মারার ঘটনাও বাড়তে থাকে।ইভ টিজিং-এর বিরুদ্ধে সোচ্চার আন্দোলনের ফলে দিল্লি ইভ টিজিং নিষিদ্ধকরণ বিল ১৯৮৪ পাস হয়। ১৯৯৮ সালে চেন্নাইয়ে সারিকা শাহ নামের ছাত্রীর মৃত্যুর ফলে ইভ টিজিং-এর বিরুদ্ধে শাস্তি আরও জোরদার করা হয়।[১৫] এত ঘটনার পর কমপক্ষে আধা ডজন ঘটনা ঘটে আত্নহত্যার ইভ টিজিং-এর কারণে।২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারীতে চারজন তরুণকে ভাদোদারার এম এস বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা নির্যাতন করে পরিবার সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের কাছে কারণ তারা একটি ছাত্রীকে এসডি হল ছাত্রাবাসের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছাত্রীকে বাজে মন্তব্য করছিল।[১৬] মাঝে মাঝে সামজিক লোকলজ্জার ভয়ে মেয়েরা কোন অভিযোগও জানায় না , পুলিশ ইভ টিজারকে ছেড়ে দেয় পাবলিককে হাসানোর মতো মুরগা শাস্তি দিয়ে।[১৭][১৮] ২০০৮ সালে দিল্লিতে বিচারক একজন ১৯ বছর বয়সী তরুণকে ছেড়ে দেয় ৫০০ জনসতেচনতামূলক লিফলেট বিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিলি করার শাস্তি দিয়ে [১৯]


কেন নারীরা এইরকম অপমান সহ্য করে? ভারতীয় পুরুষরা কি হয়রানির শিকার হয়েছেন বা কি তারা এটিকে জীবনের একটি উপায় বানিয়েছেন?
ইভ টিজিং ... এটা ঘণ্টা রিং করে? জানা যায়, এটা কি না? সম্ভবত হ্যাঁ, যদি আপনি একটি মহিলা হয়। গত কয়েক বছরে সারা দেশের মানুষের কাছ থেকে প্রাক্কলিত ইস্যুটি উদ্বিগ্ন হয়েছে। নারীরা কোনও জাতি, জাতি বা ধর্মের অন্তর্গত হতে পারে এমন যেকোনো সামাজিক সামাজিকতারই অনুসরণ করে। কেউ কেউ বলছেন যে যৌন নির্যাতন এবং যৌন হয়রানির বর্ণনা দেয়ার জন্য ভারত পাকিস্তানে ব্যবহৃত ইভ টিজিংটি একটি উষ্ণতা।

অরুন্ধতী, 11, একটি স্কুল যাচ্ছে ছাগলছানা যা এই অসাধু চিকিত্সা অনেকবার বিষয় স্বীকার অনেকবার। "ইসস! এই মানুষ তৈরি কি? "একটি বরং অনির্দেশ্য প্রশ্ন, আমি অনুমান। কেউ কেউ শুধু অন্য দিন জিজ্ঞাসা করে যে পৃথিবীতে ভারতীয় পুরুষেরা কেমন আচরণ করছে ... আপনি কি জানেন, বা যখনই তারা কোনও নারীকে ঘুরে বেড়ায় তখন গান গাওয়া শুরু করে! আমি বলছি না। ইভ টিজিং আমাদের দেশে বেশিরভাগ নারীকেই লাঞ্ছিত করছে। এই ধারণাটা কী? কেউ কেউ বলছেন এটি একটি কৌতুক, অন্যদের জন্য এটা মজা জন্য বাহিত একটি প্রপঞ্চ।

এটা কিছু sadistic পরিতোষ সম্পর্কে যে পুরুষ একটি মহিলার খুঁজে পেতে চেষ্টা সম্পর্কে কি? এবং কেন? কোন উত্তর এই horrendous অপরাধ justify পারেন। এটি আসলে একটি জোকের অংশ হতে প্রায় নিরবচ্ছিন্ন যা আপনাকে কোন ভাবেই নারীদের অসম্মান করতে দেয়। কারুনার মতে, 4, ইভ টিজিং বেশিরভাগ পুরুষদের জন্য জীবনের একটি পথ হয়ে উঠেছে। এটা কলেজ দৈনন্দিন একটি বাস যাত্রায় নিতে একটি নিশ্চিত জাহান্নাম ছিল। কিছু ছেলেমেয়েরা তার ঘাড়ে চেপে ধরার চেষ্টা করছিল। এবং ঠিক ক্ষেত্রে তারা এখানে বা সেখানে স্পর্শ পর্যন্ত শেষ হয়, এটি একটি দুর্ঘটনা হিসাবে বলা হয়। এটি একটি বাসে ঘটতে পারে ... ঠিক?

হয়রানি এর evils সম্পর্কে কি? প্রতি একক পুরুষ কি মেয়েকে অপ্রয়োজনীয় স্পর্শ করে? তাদের মধ্যে কেউ কেউ অস্পষ্টতার বাইরে চলে যায় এবং তাদের কামারের উপর খেয়াল রাখে যাতে তারা তাদের হাত লাগাতে পারে। এই অশ্লীল মনে হতে পারে কিন্তু এই স্থল বাস্তবতা। নিচের লাইনটি এমন নারীদের সংখ্যা, যারা এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের কন্ঠ উত্থাপন করে। তাদের কিছু শুধু অস্বস্তিকর মনে এবং নিজেদের সমন্বয়। অন্যেরা কেবল এটি ঘটতে দেয় কয়েকটি উদাহরণ রয়েছে যেখানে তারা তাদের কন্ঠ বৃদ্ধি করে এবং অভিযোগ করে।

 ইভ টিজিংয়ের মহামারী অন্যান্য সামাজিক অপরাধের তুলনায় অনেক বেশি বিষাক্ত। নিতু, 0, অভিযোগ করেন যে যখনই তিনি রাস্তায় রাস্তায় অথবা একটি ভিড়ের মধ্যে অতিক্রম করছেন, তখন অনেক লোক মিছিলে, পথাক বা বোমার মতো অদ্ভুত শব্দগুলি নিয়ে আসে। তিনি প্রতিক্রিয়া করতে সক্ষম কোন উপায় নেই।

কি ইভিল আঁচড়ানোর জন্য পুরুষদের inculcates? এটি একটি ঐতিহ্য বা সামাজিক মন্দ? কেন মহিলারা ভোগে? কোন সন্দেহ নেই অনেক ছেলেরা অ্যাডাম টিজিং সম্পর্কে অভিযোগ। কিন্তু ধারণাটি কি সত্য এবং প্রভাবশালী? নারীরা কি অশ্লীল এবং উন্মাদতার সাথে আচরণ করে?

কফির জন্য কাউকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে এক জিনিস যা অন্যকে খাওয়ানোর জন্য পিষ্টকারী হয়। ইভ টিজিংকে ব্যাখ্যা করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। সমাধান কি? নারী তাদের ভয়েস বাড়াতে শিখতে হবে। এটা অখণ্ডতা একটি ব্যাপার। তুমি কী তৈরী?


একটি অনু গল্প: ইভটিজিংB-)

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে : 
পাষন্ড বাবা শমসের আলী। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে অস্ত্র হিসেবে বেছে নিলো পাঁচ বছরের শিশু সন্তান রিওন কে। প্রতিপক্ষ আব্দুর রহমান একজন সনামধন্য অবস্থা সম্পন্ন সমাদৃত ব্যক্তি। প্রতিহিংসা পরায়ন শমসের সামান্য জমিজমার বিরোধের জের ধরে নানাভাবেই তাকে ঘায়েল করার চেষ্টা করে। কিন্তু পেরে ওঠেনা। অব্যাহত থাকে তার চেষ্টা। অবশেষে সে সাত পাঁচ চৌদ্দ অংক কষে আবিস্কার করে একটি হিসেব। তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে পাঁচ বছরের শিশু সন্তান রিওনের মুখ। ইউরেকা...ইউরেকা...পেয়েছি। উল্লাসিত হয়ে ওঠে সে। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। সেদিন রাতে হাট থেকে কিনে আনে দুই টাকা মূল্যের একটা বলাকা বেলেট। গ্রামগঞ্জে অল্পতেই রাত গভীর হয়। ঘুমিয়ে পড়ে গ্রাম। সেদিন ঘুম নেই শমসেরের চোখে। গলা পর্যন্ত তাড়ি খেয়ে অবস করে নেয় তার মানবিক বোধগুলো কে। তারপর..... হ্যা তারপর ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে সতর্পনে তুলে নেয় রিওন কে। ঘুমন্ত রিওন জানতেই পারেনা বাবার সাথে সে কোথায় যাচ্ছে। বাড়ির পাশে একটা জঙ্গল মত জায়গা। শমসের তার পরিকল্পনা মত ঘুমন্ত রিওনের পেট কেটে ফেলে দুই টাকা মূল্যের বলাকা বেলেট দিয়ে। রিওনের কি ঘুম ভেঙ্গেছিল? রিওন কি মা মা বলে ডেকে ঊঠেছিল? পাষন্ড শমসেরের কোন দিকেই দৃষ্টি ছিলনা। সে রিওনের লাশ কাঁধে তুলে নেয়। কেউ কিছু জানার আগে; বোঝার আগেই লাশ রেখে আসে আব্দুর রহমানের বাড়ির ঊঠানে।
পরের দিন সকাল। আব্দুর রহমানের বাড়িতে হৈ চৈ। বাড়তে থাকে ভিড়। আতংকে জড়োসড়ো হয়ে পড়ে তার পরিবারের লোকজন। শমসেরের তাড়ির নেশা তখনো যায়নি। বউ এর ঝাকুনিতে ঘুম ভেঙ্গে যায় তার। মাতাল কণ্ঠে বলে-পুলিশ আইচে? বউ কোন প্রশ্ন করার আগেই সামলে নেয় নিজেকে। -হামার রিওনোক ওমরা মারি ফ্যালাইচে.. বউ এর বিলাপ উপভোগ করলো সে। ঠোঁটের কোণে বিজয়ের হাসি।

বেলার বাড়ার সাথে সাথে খবর পেয়ে চেয়ারম্যান মেম্বার এলো। কিছুক্ষণ পরে পুলিশ সাথে করে নিয়ে এলো শমসের। চোরে মালে হাতে নাতে ধরার মতো পঞ্চাশ বছর বয়সী আব্দুর রহমান তার দুই ছেলে কে কোমড়ে দড়ি বেঁধে নেয়া হলো থানায়। তাপর জেল হাজত। বেশ কিছুদিন পরে গনেশ উল্টে গেলো। প্রকাশ পেলো সত্য ঘটনা। নির্দোষী আব্দুর রহমান গং খালাস পেলো। পুত্র হত্যার দায়ে দন্ড প্রাপ্ত হলো পাষন্ড পিতা শমসের আলী।

জেলের অন্ধকারে শমসেরের ােভ আরো বাড়তে থাকে। প্রতিশোধের নেশায় জ্বলতে থাকে দাউ দাউ করে। তার জামিনের জন্য চেষ্টা তদবির চলছে। আর সে নতুন অংক কষছে। ইতিমধ্যে দেশে জারি হলো নারী শিশু নির্যাতন আইন। ননবেলেবল সেকশন। শমসেরের মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। ভাগ্য ক্রমে জামিনে মুক্তি পায় সে।

নতুন অংক, নতুন হিসেব, নতুন অস্ত্র। এবার শমসের অস্ত্র হিসেবে বেছে নেয় তার বউ কে। সাজায় ধর্ষন নাটক। অবশেষে নাটক মঞ্চস্থ হলো এক রাতে। অন্ধকার রাত। তার বউ প্রতিবেশির বাড়িতে যাচ্ছিল। পূর্ব পরিকল্পনা মতো শমসের তার এক অনুচরসহ ছদ্দবেশে পথে তার শালিনতা হানির চেষ্টা করে। ..বাচাও..বাচাও..শমসেরের বউয়ের চিৎকারে গ্রামবাসি ছুটে এলে পালিয়ে যায় তারা।
দুদিন পরে পুলিশ এসে হাজির আব্দুর রহমানের বাড়িতে। আবারও কোমড়ে দড়ি। তারপর কোট কাচারি। ননবেলেল সেকশন। তিন মাস বিনা বিচারে হাজত বাস। এবারো গনেশ উল্টে গেলো। মিথ্যা প্রমানিত হলো মামলা। নির্দোষ খালাস পেলো আব্দুর রহমান। অবশেষে আপোষ মিমাংসা। মামলা প্রত্যাহার করলো শমসের। কিন্তু মনের আগুন আরো দ্বিগুন জ্বলতে লাগলো তার। অপো করতে লাগলো।
শমসেরের অপোয় নতুন আশার আলো ঝিলিক মারে কিছু দিনের মধ্যে। দেশে জারি হয় ইভটিজিং বিরোধী আইন। তার একমাত্র মেয়ে কুলসুম এখন চৌদ্দ। স্কুলে যায়। তার মেয়ে কুলসুম আর আব্দুর রহমানের ছেলে সুরুজ। দুই পরিবারের মধ্যে সেতু বন্ধন তৈরির একটা গোপন চেষ্টা করছিল। এটা জানতো পাষন্ড শমসের। ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে সে। একদিন সুযোগ এসে যায়। স্কুল যাবার এক রাস্তার মোড়ে কুলসুম আর সুরুজ কে আবিস্কার করে সে। আর যায় কোথায়। পাশেই ছিল থানা। ব্যস। কুলসুম কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায় সুরুজ কে। মামলা হয় ইভটিজিং এর। মামলা চলতে থাকে। এবং মামলা চলবে।
সেবু মোস্তাফিজ
রচনাকাল: ২২মে ২০১০
পীরগঞ্জ-রংপুর
রাত ১১টা। 
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৭



















ইভটিজিং
সুকন্যা তিশা - নষ্ট বিবেকের ক্রন্দন
হতে হবে সচেতন দাঁড়াতে হবে রুখে,
ইভটিজিং বন্ধ করো’-আজকে সবার মুখে
সর্বস্তরের মানুষজন আছেন যেথায় যারা ,
সবাই মিলে করতে হবে ইভটিজিংকে তাড়া।
দেশের যত গুরুজন আছেন অভিভাবক,
করতে হবে সহায়তা আছেন যত যুবক,
সবারই আছে মা,বোন,খালা,ফুপু,মামী,
ইভটিজাররা করবে কি তাদের অসম্মানী ?
যদি না পারে তা তবে কেন হায় !
অন্যজনের বোনের দিকে চোখ বাঁকিয়ে চায় ?
ধর্ম , কর্ম ভুলে আজ করছে বখাটেপনা
ঘুমিয়ে থাকা বিবেকগুলো বাঁধছে না মানা
ভাবছে তারা মেয়েরা বুঝি দুর্বল অসহায়,
অত্যাচারে পিষ্টে যাদের ফেলছে শুধু পায়
তাদের জন্য দিচ্ছি খবর নয় ! আর নয়!
নিজের দুখের পরাজয় রুখতে যদি হয় ,
উচ্ছৃংখলা ছেড়ে এবার শোধরাও নিজেকে,
পায়েতে শিকল পড়াতে জাতি শোচ্চার আজকে।
মেয়েদের জন্য বলছি এখন-‘শুনো তোমরা শুনো
পরাজিত করতে তাদের আশার স্বপ্ন বুনো-
আত্মাহুতি দিয়ে নয়, নয় চোখের জলে,
জয়ী মোদের হতে হবে প্রতিবাদী হয়ে চলে


 
বাল্য বিবাহ
আর 'টা সাল পড়তে দে মা
তারপরে দিস বিয়ে
জ্ঞান বিনে কি করবো মা গো
শশুর বাড়ি গিয়ে??

শিরদাঁড়াহীন করিসনে মা
পড়বো আমি আরো
শির উচুতে কাটবো জীবন
ভার হবোনা কারো
পড়তে দে মা আরো।

মা গো আমি হবো প্রীতিলতা
শিক্ষিত মা রোকেয়া হবো
হবো বনলতা,
দে ভেঙ্গে মা সকল বাঁধা,
সকল বিপত্তি
তোমার মেয়ে পড়লে তোমার
কিসের আপত্তি?

ধর্ম দোহায় দিসনা রে মা
বাদ দে সমাজ ধারা
ধর্ম তো মা দেয়নি আদেশ
থাকতে বিদ্যা ছাড়া
পর্দা অটুট থাকবে আমার
থাকবে ভালো সবি
বাপকে বলিস,"পড়বো আমি"
দিস বিয়ে মা তবি।


নারী নির্যাতন
পুরুষ হে তুই,করছিস কি?
বীরপুরুষের বেশ ধরে?
নারী প্রহার করছিস ক্যান
বিষ খেয়ে তুই না মরে?

তোর ঘরে দ্যাখ,তোর মা আছে
সে- নারী,
জন্ম দিয়ে রাখছে তোরে,করছে লালন,
যায়নি ছাড়ি
সব নারী তোর মায়ের জাতি,মায়ের সাথি
ক্যান নাই তোর হুশ?
তুই তো কাপুরুষ!!

তোর ঘরে তোর বোনও আছে
স্ত্রী-জাতি
চিনিস তাকে?
তোর একমাত্র খেলার সাথি
কারো কাছে না পেলেও,তার কাছে যে
সবই পেতি
সব নারী সেই বোনের বংশ,মাতৃ অংশ
হয়নি আজো হুশ?
তুই তো অমানুষ!!

তোর দাদীমা,নানি,ফুফু,তোর খালাম্মা
সব তো নারী
যে নারী তোর সঙ্গি হল,
কি পেয়েছিস তাকে মারি?
ভীতুর শালা,পুরুষ না তুই,আস্তা পিচাস
নারীর গায়ে হাত তোলে ক্যান মহান দেখাস?
তুই কি আসল নর?
মার শালাকে চড়!!

Comments

SDS